উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্রের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) লুবণা আহমেদ লুনা, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান রতন, ওসি মুক্তাগাছা কামরুল ইসলাম, মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ইমাম উদ্দিন মুক্তা, সাংবাদিক ফেরদৌস তাজ সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবার, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র জানান, এ উদ্যোগে প্রতিটি পুরস্কার একটি জীবন্ত সম্পদে পরিণত হয়েছে।
বিজয়ী শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ গাছ রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, নাগরিক সচেতনতা এবং প্রকৃতিপ্রেম গড়ে তুলতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “পুরস্কার হবে গাছ, সবুজ হবে আশপাশ”—এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে সমাজের সকল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণই হতে পারে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। তাই সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রচলিত পুরস্কারের পাশাপাশি গাছ উপহার দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করা হলে একদিকে যেমন সবুজায়ন বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে পরিবেশ রক্ষায় জনসম্পৃক্ততাও বাড়বে। উপজেলা প্রশাসনের এ পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ; ইতোমধ্যে উপস্থিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

0 Comments