Header Ads Widget

 


সমাজিক ও মানবিক কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি

 


বাবলু আকন্দ: সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহযোগিতা করা এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ রফিকুল হাসান জনি। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি একজন সমাজসচেতন ও মানবিক মানুষ হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি অনেকের নজর কেড়েছে।


মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কথা শোনা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করার মাধ্যমে তিনি সমাজে মানবিকতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তাঁর কাছে মানুষের পরিচয় কিংবা অবস্থান নয়, বরং মানুষের প্রয়োজনটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—এমন মানসিকতা নিয়েই তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে চলেছেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।


মুক্তাগাছার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজে মোঃ রফিকুল হাসান জনির আগ্রহ দীর্ঘদিনের। কোনো মানুষ বিপদে পড়লে কিংবা কোনো অসহায় পরিবার সহযোগিতার প্রয়োজন অনুভব করলে তিনি সাধ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তাঁর এসব কর্মকাণ্ডে অনেক সময় প্রচারের চেয়ে মানুষের উপকারকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।


বিশেষ করে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ, দরিদ্র পরিবার ও বিভিন্ন সংকটে থাকা ব্যক্তিদের জন্য তাঁর সহযোগিতামূলক মনোভাব স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। শুধু তাৎক্ষণিক সহযোগিতাই নয়, একটি সুন্দর, সচেতন ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সামাজিক দায়িত্ববোধকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বিভিন্ন সময় তুলে ধরেন।


স্থানীয়দের মতে, বর্তমানে সমাজে যখন অনেকেই ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য দেন, তখন মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁদের প্রত্যাশা, মোঃ রফিকুল হাসান জনির মতো সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যদি আরও বেশি মানুষকে মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারেন, তাহলে এলাকার সামাজিক পরিবেশ আরও ইতিবাচক হয়ে উঠবে।


মোঃ রফিকুল হাসান জনি মনে করেন, মানুষের জন্য কাজ করার জন্য বড় কোনো পরিচয়ের প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন আন্তরিকতা, সদিচ্ছা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা। সমাজের প্রতিটি সামর্থ্যবান মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাহলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।


তিনি বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যে যে আত্মতৃপ্তি রয়েছে, তা অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করা যায় না। সমাজের একজন মানুষ হিসেবেই মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করি। যতদিন সামর্থ্য থাকবে, ততদিন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”


তাঁর এই বক্তব্যের মধ্যেই ফুটে ওঠে মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা ও সমাজের জন্য কিছু করার প্রত্যয়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মকেও জনকল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


মুক্তাগাছার সচেতন মহলের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা, অসহায় মানুষের সহায়তা, জনসচেতনতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে মোঃ রফিকুল হাসান জনির ভূমিকা আরও বিস্তৃত হবে। তাঁর উদ্যোগে সমাজের আরও মানুষ অনুপ্রাণিত হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে স্থানীয়দের।


মানুষের জন্য কাজ করার পথ সবসময় সহজ নয়। নানা সীমাবদ্ধতা, প্রতিকূলতা ও সমালোচনা পেরিয়েও যারা মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন, তারাই সমাজে মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দিতে পারেন। সেই প্রত্যয় নিয়েই মোঃ রফিকুল হাসান জনি তাঁর সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।

Post a Comment

0 Comments