সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, গত ঈদের আগে ২০মার্চ সকাল ১০টায় বানিয়াবাড়ি গ্রামে মসজিদের সভাপতি ও সেক্রেটারির দেয়া ৮৩ হাজার টাকা মো. হোসেন আলী বিডিয়ারের কাছ থেকে ফেরত চায় ক্যাশিয়ার বিল্লাল হোসেন। কিন্তু হোসেন আলী বিডিয়ার তাকে জানায় গচ্ছিত টাকা সভাপতি মো. সুরুজ আলী ও সেক্রেটারি দুলাল মিয়া তার কাছ থেকে ফেরত নিয়েছে। ক্যাশিয়ার বিল্লাল হোসেন এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হোসেন আলী বিডিয়ারকে অশ্লিল ভাষায় গালাগাল করে। বিষয়টি মসজিদের সভাপতি ও সেক্রেটারিকে জানালে তারা বিল্লালকে ডেকে এনে মীমাংসা করে দেন।
পরবর্তিতে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বিল্লাল তার লোকজন নিয়ে হোসেন আলী বিডিয়ারের পুকুর পাড়ের গাছ কাটতে থাকে। এসময় হোসেন আলী বাঁধা দিলে তাদের লোকজন বিডিয়ারের ওপর চড়াও হয়ে তাকে মারধর করে। হোসেন আলী বিডিয়ার বাড়িতে একা থাকায় সে তার আত্মীয়দের খবর দেয়। তারা এসে তাকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিল্লালের বাড়ির কাছে আসতেই বিল্লাল, আমজাদ, রিকসন, সুমন, তামান্না, আঞ্জুমানারা, মোমেনাসহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজন তাদের ওপর পুনরায় হামলা করে। পরবর্তীতে তাদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশিরা এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
এদিকে উক্ত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য তারা বাড়িতে গিয়ে নিজেদের ঘর নিজেরাই ভাংচুর করে নাটক সাজায়। এবং থানায় এসে উল্টো ভুক্তভোগিদের বিরুদ্ধে মামলা করে।
পরেরদিন ২১ মার্চ হোসেন আলী বিডিয়ার তার দুই জামাতাসহ থানায় মামলা দিতে গেলে উল্টো হোসেন আলীর দুই জামাতাকে আটক করে। এবং পরিবর্তিতে ২২ মার্চ হোসেন আলীসহ ১৫জনের নামে মামলা রুজু করে দুইজনকে জেল হাজতে পাঠায়। সেই মামলায় বিশ্¦বিদ্যালয় পড়–য়া দুই শিক্ষার্থীকেও আসামী করা হয়।
তারা আদালত থেকে জামিনে আসার পর বিল্লাল গংরা বিভিন্ন সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
হোসেন আলী বিডিয়ার বলেন, পুলিশ প্রকৃত তদন্ত না করেই বিল্লাল গং দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মামলা নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। এর সঠিক তদন্ত দাবি করছি।

0 Comments